‘কথাসাহিত্য তার নিজস্ব গতিতে আপন সময়ে আত্মপ্রকাশ করে’
অরুন্ধতী রায়, দ্বিতীয় উপন্যাস লিখতে কেন ২০ বছর লাগলো, সেই প্রসঙ্গে
ডেকা এটকিনহেড, দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকা থেকে অনুবাদ করেছেন আশফাক স্বপন।

কুড়ি বছর পর এই প্রথম অরুন্ধতী রায় একটি নতুন উপন্যাসের কাজ সমাপ্ত করলেন। কাজ শেষ করে তার প্রকাশনা এজেন্ট কে বললেন: ‘পাণ্ডুলিপি নিলামে তুলে দরাদরি করা চলবে না – এই সব বেহায়াপনা আমার একদম পছন্দ না, বুঝলে?’ বললেন, আগ্রহী প্রকাশকেরা যেন তাকে চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতে তারা পাণ্ডুলিপি পড়ে গল্পটা ‘কেমন বুঝলেন’ তার বর্ণনা দেবেন।


She was the fourth of five children, born on a cold January night, by lamplight (power cut), in Shahjahanabad, the walled city of Delhi. Ahlam Baji, the midwife who delivered her and put her in her mother’s arms wrapped in two shawls, said, “It’s a boy.” Given the circumstances, her error was understandable.

A month into her first pregnancy Jahanara Begum and her husband decided that if their baby was a boy they would name him Aftab. Their first three children were girls. They had been waiting for their Aftab for six years. The night he was born was the happiest of Jahanara Begum’s life.

The next morning, when the sun was up and the room nice and warm, she unswaddled little Aftab. She explored his tiny body – eyes nose head neck armpits fingers toes – with sated, unhurried delight. That was when she discovered, nestling underneath his boy-parts, a small, unformed, but undoubtedly girl-part.

Is it possible for a mother to be terrified of her own baby? Jahanara Begum was. Her first reaction was to feel her heart constrict and her bones turn to ash. Her second reaction was to take another look to make sure she was not mistaken. Her third reaction was to recoil from what she had created while her bowels convulsed and a thin stream of shit ran down her legs. Her fourth reaction was to contemplate killing herself and her child. Her fifth reaction was to pick her baby up and hold him close while she fell through a crack between the world she knew and worlds she did not know existed. There, in the abyss, spinning through the darkness, everything she had been sure of until then, every single thing, from the smallest to the biggest, ceased to make sense to her. In Urdu, the only language she knew, all things, not just living things but all things – carpets, clothes, books, pens, musical instruments – had a gender. Everything was either masculine or feminine, man or woman. Everything except her baby. Yes of course she knew there was a word for those like him – Hijra. Two words actually, Hijra and Kinnar. But two words do not make a language.

Was it possible to live outside language? Naturally this question did not address itself to her in words, or as a single lucid sentence. It addressed itself to her as a soundless, embryonic howl.

***

Her sixth reaction was to clean herself up and resolve to tell nobody for the moment. Not even her husband. Her seventh reaction was to lie down next to Aftab and rest. Like the God of the Christians did, after he had made Heaven and Earth. Except that in his case he rested after making sense of the world he had created, whereas Jahanara Begum rested after what she created had scrambled her sense of the world.

It wasn’t a real vagina after all, she told herself. Its passages were not open (she checked). It was just an appendage, a baby-thing. Perhaps it would close, or heal, or go away somehow. She would pray at every shrine she knew and ask the Almighty to show her mercy. He would. She knew He would. And maybe He did, in ways she did not fully comprehend.
Happy Memorial Day, US readers! The Memorial Day reading is ON TYRANNY by Timothy Snyder, about using lessons from 20th century fascism to preserve American democracy. Happy reading!


গোর্কী বলেছেন, 'আমার পাঠশালা হচ্ছে জীবন। আর জীবনই আমার বই।' তাঁর কথা হচ্ছে জীবন যেমন আমাদের একখানি বইয়ের কথা বুঝতে সাহায্য করে, তেমনি বই আমাদের জীবনকে বুঝতে সাহায্য করে একেই আমরা বলি দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক বই আর জীবনের মধ্যে। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম সম্পর্কে কোন কিছু বলা আমার মত লেখকের জন্য অনুচিত হবে। তার প্রবন্ধ সমগ্র পড়ে শেষ করলেম কিছুদিন আগে। সেখানে একটি প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল "ইহজাগতিকতার শত্রুপক্ষ"। ভালো কোনো লেখা পড়লে অন্যকে পড়ানোর একধরনের তাগিদ অনুভব করি। আপনাদের ভালো লাগলে আমারও আমারো লাগবে।
অধ্যাত্মবাদ ইহজাগতিকতার বিপরীতপক্ষ বটে, কিন্তু ইহজাগতিকতার আসল শক্র সেখানে নেই, রয়েছে অন্যত্র । অধ্যাত্মবাদ এই শক্রর দ্বারা ব্যবহৃত হয়। আকর্ষণ করে, মোহ গড়ে তোলে। আসল শক্রটা তাহলে কে? সে হচ্ছে ভয় ।
এই ভয়ের ব্যাপারটায় আসার আগে ইহজাগতিকতা ব্যাপারটা কি সেটা একটু বুঝে নেওয়া যাক।

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী 
ইহজাগতিকতার শত্রুপক্ষ

ইহজাগতিকতা থাকলে পারলৌকিকতাও থাকে, আলো থাকলে যেমন থাকে অন্ধকার, হয়তো-বা বলা যাবে মাটির ওপরে আকাশ; কিন্তু ইহজাগতিকতা পারলৌকিকতার অনুগত নয়, পারলৌকিকতাকে অবজ্ঞা না-করলেও উদাসীনতা যে দেখায় সে-বিষয়ে সন্দেহ নেই। ইহজাগতিকতার ভাবটা এই রকমের যে, পরলোক আছে কিনা জানি না, থাকলেও থাকতে পারে, কিন্তু তাকে নিয়ে আমার উৎসাহ নেই, আমার জগৎ ইহজগৎ, সেখানেই আমার আগ্রহ। ইহকাল আছে; ইহজগৎ ইহকাল থেকেও ভিন্ন। কেননা কাল অনেক বিস্তীর্ণ জগতের তুলনায়।

অন্য অনেক কিছুর মতো ইহজাগতিকতারও দুটি দিক রয়েছে। একটি তাত্ত্বিক, অপরটি প্রায়োগিক। তাত্ত্বিক দিকটি দার্শনিক; প্রায়োগিক দিকটিতেও দার্শনিকতা রয়েছে, কিন্তু সেখানে জোরটা পড়ে জীবনযাপনের ওপরে। মেহনতি মানুষেরা যে সব সময়েই ইহজাগতিক সেটা নিশ্চয় করে বলবার উপায় নেই, কেননা প্ররোচনা থাকে আধ্যাত্মিক হবার। ইহজাগতিকতার শক্রপক্ষ ওই প্ররোচনাটি দিয়ে থাকে, দেয় নিজের স্বার্থে। কিন্তু শ্রমজীবী মানুষের সাধারণ প্রবণতাটা হচ্ছে ইহজাগতিক হবার। না-হয়ে উপায় নেই। কেননা তাকে তো পরিশ্রম করতে হয় । জগতের সঙ্গে সংগ্রাম করে তাকে বাঁচতে হয়, প্রত্যক্ষ জগৎকে অবজ্ঞা করবে এমন সুযোগ তার জন্য খুবই কম।

অধ্যাতবাদ ইহজাগতিকতার বিপরীতপক্ষ বটে, কিন্তু ইহজাগতিকতার আসল শক্র সেখানে নেই, রয়েছে অন্যত্র । অধ্যাত্মবাদ এই শক্রর দ্বারা ব্যবহৃত হয়। আকর্ষণ করে, মোহ গড়ে তোলে। আসল শক্রটা তাহলে কে? সে হচ্ছে ভয় ।

ভারতের রাজনীতিতে হিন্দুত্ববাদের উল্লম্ফনের ঐতিহাসিক পটভূমি
বদরুদ্দীন উমর

সম্প্রতি বদরুদ্দীন উমর "সংস্কৃতি" মার্চ - এপ্রিল ২০১৭ এর সংখ্যায় একটি লেখা লিখেছেন যার শিরোনাম "ভারতের রাজনীতিতে হিন্দুত্ববাদের উল্লম্ফনের ঐতিহাসিক পটভূমি"। লেখাটি পড়ে আমার কাছে মনে হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হলো। "হিন্দুত্বের কোন মূল আদর্শিক বন্ধন নেই। সামাজিক বন্ধনের মধ্যেই হিন্দুত্বের বা হিন্দু ধর্মের পরিচয়। হিন্দু মৌলবাদ বলে যদি কিছু থাকে তাহলে সেটা হলো, কোন আদর্শের প্রতি আনুগত্য নয়, চতুৰ্বর্ণের সামাজিক বন্ধনের প্রতি আনুগত্য। এই বন্ধন থেকে বিচ্যুত হওয়া বা তা ছিন্ন করাই হিন্দু ধর্মের সব থেকে বড় অপরাধ। এই বিচূতির কোন মাফ নেই।"


পাঠকের চিন্তার খোরাক হিসেবে সম্পূর্ণ লেখাটি এখানে তুলে দিলাম।

হিন্দুত্ব এখন যেভাবে ভারতের রাজনীতিতে শুধু প্ৰবল প্রভাব নয়, আধিপত্য বিস্তার করেছে, এটা এক ভয়াবহ ব্যাপার। ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলির জন্যও বিপজ্জনক। এই প্রতিক্রিয়াশীলতা পরাজিত করার জন্য শুধু রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘ (আরএসএস), বিজেপি বা নরেন্দ্ৰ মোদির সমালোচনা ও বিরোধিতাই যথেষ্ট নয়। বাস্তবতঃ এর কোন কাৰ্যকারিতাও নেই। ভারতের রাজনীতি আজ এ পর্যায়ে এসে দাঁড়ানো কোন অলৌকিক বা হঠাৎ ঘটে যাওয়া ব্যাপার নয়। এটা মনে করাও বড় রকমের এক মূ্র্খতা। অকারণে কিছুই ঘটে না। কাজেই এর কারণ অনুসন্ধান ও সঠিক ব্যাখ্যা ছাড়া এর সমালোচনা ও বিরোধিতা তীব্র হলেও এর পরিবর্তন সম্ভব নয়। বলাই বাহুল্য, ভারতীয় সমাজের মধ্যেই এর মূল প্রোথিত। ভারতের ইতিহাসের মধ্যেই এর কারণ অনুসন্ধান করতে হবে।

প্রাচীন ভারতে হিন্দুদের ইতিহাস চেতনা ছিল না বললেই চলে। এ কারণে ভারতে বেদ, উপনিষদ ইত্যাদি ধর্মগ্রন্থ ও রামায়ন মহাভারতের মত মহাকাব্য থেকে নিয়ে অনেক উত্তম সাহিত্য রচিত হলেও ইতিহাস চর্চা ভারতীয়দের মধ্যে ছিল না। এর জের হিসেবে পরবর্তীকালেও তাদের নানা বক্তব্য এবং আলোচনায় ইতিহাস বিষয়ে অজ্ঞতারই পরিচয় পাওয়া যায়।

ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং ইতিহাসের চেতনা না থাকার কারণেই হিন্দুদের মধ্যে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে অনেক বিভ্রান্তি ও মিথ্যা ধারণার জন্ম হয়েছে। এই অজ্ঞতা অনেক হিন্দু পণ্ডিত ও মহান ব্যক্তিদের মধ্যেও দেখা যায়। স্বামী বিবেকানন্দের মধ্যে অনেক উদারতা ছিল । সাধারণ অর্থে তাকে সাম্প্রদায়িক বলা যায় না। কিন্তু ইসলাম ও মুসলমান সম্পর্কে তাঁর বেশ কিছু বক্তব্য আপাতঃদৃষ্টিতে সাম্প্রদায়িক বলেই মনে হবে। এই সব বক্তব্যকে অজ্ঞতাপ্রসূত না বললে সাম্প্রদায়িক বলা ছাড়া অন্য কিছু বলার উপায় নেই।

About me

I am a big fan of Books and internet security. I am passionate about educating people to stay safe online and how to be a better book reader.
If you are interested then you can add me to your Social Media. You will also see the occasional post about a variety of subjects.

Contact

Name

Email *

Message *

Instagram

© Riton's Notes
riton.xyz