ক্যাসেল জার্মানির একটি গ্রীক মন্দিরের প্রতিলিপি হিসেবে তৈরি করা হয়েছে এমন এক শিল্পকর্ম যা এক লক্ষ নিষিদ্ধ বই দিয়ে মুড়ে দেওয়া। শিল্পকর্মটি তৈরি করেছেন শিল্পী Marta Minujín. উনি মনে করেন যদি সন্মান করতে হয় তাহলে বাকস্বাধীনতাকে করা উচিত ঈশ্বরকে নয়।
নিষিদ্ধ বইয়ের তালিকায় রয়েছে বাইবেল থেকে শুরু করে সালমান রুশদি এর দ্য স্যাটানিক ভার্সেস (1988), এবং মার্ক টোয়েনের দ্য অ্যাডভেঞ্চার অফ টম সায়ার (1876) সহ আরও অনেক বই।

Kassel, Germany is now home to a Greek temple-inspired artwork that pays homage to free speech instead of the gods: As The Local Germany reports, the installation by conceptual artist Marta Minujín is built from 100,000 banned books, and is intended to challenge censorship both past and present.

Built in the exact same dimensions as the real-life Parthenon, the structure's metal grill columns contains hundreds of titles, including the Bible, Salman Rushdie’s The Satanic Verses (1988), and Mark Twain’s The Adventures of Tom Sawyer (1876), each one wrapped in plastic to protect their pages from the elements. Lodged into place by volunteers on cranes, the works will be distributed to visitors once the artwork is dismantled.

Check out some pictures of Minujín’s Parthenon of Books below.


বানানরাজ্যে যিনি বিপ্লব এনেছেন, সেই রবীন্দ্রনাথ এবং বানান-সংস্কারে রবীন্দ্রনাথ যাকে ‘কৰ্ণধার’ মনে করেন সেই সুনীতিকুমারের মধ্যে মতভেদ আকাশ-পাতাল। রবীন্দ্ৰনাথের ঝোক হ্রস্ব-ইকারের দিকে, সুনীতিকুমারের আসক্তি দীর্ঘ-ঈকারের প্রতি। ‘ঘটী’ শব্দ সংস্কৃত কিন্তু রবীন্দ্ৰনাথ লেখেন “ঘটি”। “নিম্নস্থানস্থিত” অর্থে “নীচ’ শব্দ সংস্কৃত চৈতন্য-শ্লোকাষ্টক, মেঘদূতম, শ্ৰীমদভগবদগীতা, মনুসংহিতা, এমন কি ঋগ বেদেও আছে। এইসকল গ্রন্থের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের প্রত্যক্ষ পরিচয় ছিল এবং “নীচ” বানান নিশ্চয়ই তিনি বহুবার দেখেছেন। কিন্তু কবির হঠাৎ মনে হল ‘নীচ’ শব্দ "below” অর্থে সংস্কৃত ভাষায় নেই, অতএব তিনি বেশী চিন্তাভাবনা না করেই বিধান দিয়ে বসলেন। “নিচে শব্দটিকে সম্পূর্ণ প্ৰাকৃত বাংলা বলিয়াই স্বীকার করিয়া থাকি।” (শব্দতত্ত্ব)। দেবপ্ৰসাদবাবুর নিকট একখানি চিঠিতে রবীন্দ্ৰনাথ “দায়ী” শব্দের বানান লিখেছিলেন “দায়ি”। দেবপ্রসাদবাবু আক্রমণ করলে কবি উত্তর দিলেন “জরাজনিত মনোযোগের দুর্বলতা”। আমরা কিন্তু তা মনে করি না। আমাদের বিশ্বাস “প্রবণতাজনিত মনোযোগের দুর্বলতা” আসলে দায়ী” যে তৎসম শব্দ রবীন্দ্ৰনাথ অতটা মনোযোগ করে দেখেন নি, এবং হ্রস্ব-ইকারপ্রবণতার জন্যই লিখেছিলেন ‘দায়ি’। তবে দেবপ্রসাদবাবুর প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথের অতটা বিচলিত হওয়ার তেমন হেতু ছিল না, কারণ “দায়ক” অর্থে ‘দায়ী” শব্দ তৎসম হলেও, 'responsible' অর্থে শব্দটি সংস্কৃত নয়, বাংলা। রবীন্দ্ৰনাথের বিধানে শেষোক্ত অর্থে ‘দায়ি’ বানান ভুল নয়।


পক্ষান্তরে, সুনীতিকুমার তৎসম শব্দ তো দূরের কথা, মূলে দীর্ঘঈকার থাকলে তদ্ভব শব্দতেও কদাপি হ্রস্ব-ইকার দেবেন না। ‘একটি, কলমটি, গাছটি’ সুনীতিকুমারের হাতে ‘একটী, কলমটী, গাছটী’, কারণ ‘টী’ সংস্কৃত ‘বধুটী’ শব্দ থেকে আগত। ‘খুটিনাটি’ সুনীতিকুমারের লেখনীতে ‘খুটােনাটী’। ১৯৫০ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্ৰকাশিত, সুনীতিকুমারের ‘বাঙ্গালা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা’ গ্রন্থের প্রথম পৃষ্ঠাতেই ‘খুটীনাটী’ মুদ্রিত আছে। ১১২ পৃষ্ঠায় দেওয়া কয়েকটি বৈদেশিক শব্দের বানান দেখলেই সুনীতিকুমারের প্রবণতা কোন দিকে বোঝা যাবে -

ফরাসী, আরবী, তুর্কী, আমীর, উজীর, নকীব, মীর্জা, বক্সী, আদমশুমারী, ওয়াশীল, বীমা, উকীল, দলীল, ফরিয়াদী, ঈদ, গাজী, নবী, শহীদ, সুন্নী, হাদীস, হুরী, আতশবাজী, কাঁচী, দূরবীন, বরফী, মিছরী, মীনা, মুহুরী, সানকী।

প্ৰবন্ধ-লেখকের কাছে একখানি চিঠিতে সুনীতিকুমার ইংরেজী report শব্দের বাংলা বানান লিখেছিলেন “রীপোর্ট”। প্রশ্ন করলে উত্তর দিলেন “খেয়াল ছিল না।” অর্থাৎ খেয়াল না থাকলে রবীন্দ্রনাথের কলমে আসে হ্রস্ব-ইকার, সুনীতিকুমারের আসে দীর্ঘঈকার। কথাপ্রসঙ্গে সুনীতিকুমার একদিন বলেওছিলেন “দীর্ঘ-ঈকার ‘ী’ লেখা সোজা”। বাস্তবিকই বাংলা বর্ণবিন্যাসে স্বরচিহ্নের মধ্যে হ্রস্ব-ইকার ‘ি’ লেখাই সর্বাপেক্ষা কষ্টদায়ক। সাধারণ কথাবার্তার যুক্তি হয়তো গাম্ভীর্যপূর্ণ আলোচনার বিষয়বস্তু হতে পারে না, তবে সুনীতিকুমারের দীর্ঘ-ঈ কার-প্রবণতার এটাও একটা কারণ যে হতে পারে না তা নয়।

হ্রস্ব-ই দীর্ঘ-ঈ প্রসঙ্গে বানান-সংস্কার-সমিতিও দ্বিধাগ্ৰস্ত। রেফের পর দ্বিত্ব-বর্জনের ক্ষেত্রে সমিতি দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, কিন্তু হ্রস্ব-ই দীর্ঘ-ঈ ব্যাপারে সমিতি যেন অসহায়।

ফলে কবির ভাষাই মনে আসে :
“দেশ অরাজক ?”
“অরাজক কে বলিবে, সহস্ররাজাক।”

সূত্রঃ বাংলা বানান - মণীন্দ্রকুমার ঘোষ।


The book I have waited for 20 years.

As Gwendolyn Brooks said and I quote “Books feed and cure and chortle and collide”. Similar to Rebecca Solnit asserted in her lyrical meditation on why we read and write, “A book is a heart that beats in the chest of another,”. Right now I am holding a book called “The Ministry of utmost happiness” by Arundhati Roy and my heart beats are already pumping in way that I can’t put any words to it. This is the most anticipating book for me. Thanks to Arundhati Roy for writing “The Ministry of utmost happiness”.

Arundhati Roy wrote the god of small things in 1997 and it won the Booker Prize and I read it and it was an unforgettable story. The minute after I put it down I was ready to read another book by her. But she hasn't written another fiction novel until now with the Ministry of utmost happiness. It took 20 long years. She's written some nonfiction and she's been a big activist. But I feel like everybody has been waiting for this book and now it's here. So I'm very excited and even from the title I could tell that this is going to be one of those books where you're just like, take a deep breath and then dive in and you're probably not going to be able to put it down. That's what I expect from my own personal read. It's about a few characters. You're following the lives of a number of people and Roy is taking us on a journey of many years, through many regions of India specifically. So we're getting to see the lives of these characters and we're getting to see the intimate parts of their experiences and their loves and their losses, especially. This book sounds like it's full of loss and heartbreak. But we get to see all of that, so it says in the summary, In a graveyard outside the walls of old delhi, a resident unrolls a threadbare persian carpet. On a concrete sidewalk a baby suddenly appears just after midnight. In a snowy valley a bereaved father writes a letter to his five-year-old daughter about the people who came to her funeral. In a second-floor apartment a lone woman chain-smoked as she reads through her old notebooks. At the janet guest house two people who have known each other all their lives sleep with their arms wrapped around each other as though they have just met.
I've actually been avoiding the reviews for this book because I don't want any spoilers. I notice that the description of the book is very cryptic and you can't really tell what it's all about or what you're going to discover through the pages. But I have seen some headlines just from looking up the title of the book and everybody seems to be in unanimous agreement that this book is totally worth the wait (20 long years). So I'm really looking forward to it. This has been on my highly anticipated list for a while and I'm going to read it now. Soon I will give you a complete review until then happy reading. And don’t forget “Revolution can, and often have, begun with reading.”

About me

I am a big fan of Books and internet security. I am passionate about educating people to stay safe online and how to be a better book reader.
If you are interested then you can add me to your Social Media. You will also see the occasional post about a variety of subjects.

Contact

Name

Email *

Message *

Instagram

© Riton's Notes
riton.xyz